April 9, 2026, 4:49 am

সংবাদ শিরোনাম
রংপুরে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ আত্মীয়ের বাসা থেকে সাড়ে চার কোটির ছায়া: নথি ঠিক, উৎস অদৃশ্য নিজের অপরাধ আড়াল করতে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে অপপ্রচারের অভিযোগ মেইন রাস্তার ধুলো নয়, নীরব বিষ: রংপুরে তামাক ক্রাসিংয়ের অবৈধ বিস্তার রংপুরে হামের ছায়া: সংখ্যা নয়, গল্পগুলোই বলছে আসল কথা দিনাজপুরে আশ্রম ও এতিমখানায় ৩ কোটি ৬২ লক্ষ ৮৮ হাজার টাকার চেক বিতরণ হাম-আতঙ্কের ভেতর পাঁচ শিশু, রমেকে নীরব লড়াই রংপুরে ”আলোকিতো’র প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত সাড়ে চার কোটির ছায়া: শ্বশুর সামনে, কাস্টমস্ জামাতার সংযোগ গংগাচড়ায় আপোষের নামে বোনকে ডেকে মারপিট, আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে সংবাদ সম্মেলন

মৌলভীবাজারে ইউপি চেয়ারম্যান এর সীল, প্যাড জালিয়াতি

মৌলভীবাজারে ইউপি চেয়ারম্যান এর সীল, প্যাড জালিয়াতি

mostbet

মশাহিদ আহমদ, মৌলভীবাজার

মেহের আলী

মৌলভীবাজারে মেহের আলী উরফে মেহের উল্লাহ এবার সদর উপজেলার ১১ নং মোস্তফাপুর ইউপি চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম তাজ এর স্বাক্ষরযুক্ত সীল ও প্যাড নকল করার অভিযোগ উঠেছে। ভয়ংকর এই জালিয়াতির অপরাধে গত ১৩ নভেম্বর ১১ নং মোস্তফাপুর ইউপি চেয়ারম্যান এর নিজ বাড়ীতে গভীর রাত পর্যন্ত তাকে আটক শেষে তার ছোট ভাই আরাফাত আলীর জিম্মায় তাকে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। তোলপার শুরু হয় পুরো গ্রামজুরে। বিষয়টি স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের নজরে আসলে নড়েচড়ে বসেন সবাই।  সূত্রে জানা যায়, মেহের আলী দীর্ঘদিন যাবত এ ধরণের জালিয়াতির সাথে সম্পৃক্ত থেকে অনেক সহজ সরল মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছিল। মেহের আলী তার প্রতিবেশী মুহিবুর রহমান এর জাতীয় পরিচয় পত্র ও নিজ ভুমির কাগজপত্র জাল করে বিক্রির পায়তারা চালাচ্ছিল, বিষয়টি ধরা পরে স্থানীয় চেয়ারম্যানের কাছে। পরে ইউপি চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম তাজ তার নিজ বাড়িকে ডেকে নিয়ে আটক করে মেহের আলীর স্বজনদের খবর দেন। রাত সাড়ে দশটার দিকে গ্রামের বিশিষ্ট মুরব্বিদের উপস্থিতি জালিয়াতির বিষয়টি স্বীকার মেহের আলী। আগামীতে এরকম কাজ আর না করার  প্রতিশ্রুতি  দিয়ে উপস্থিত সবার কাছে ক্ষমা চাইলে তার ভাইয়ের জিম্মায় ছেড়ে দেয়া হয়। ১১ নং মোস্তফাপুর ্ইউনিয়নের চেয়ারম্যান তাজুল ইসলাম তাজ ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে বলেন-  মেহের আলী আমার ইউনিয়নের প্যাড,সীলসহ  সকল কাগজাত তৈরি করেছে। ভবিষ্যৎে এধরণের প্রতারণা না করার শর্তে বিষয়টি স্থানীয়ভাবে সমাধান করা হয়েছে। একটি নির্ভরযোগ্য সুত্রে প্রকাশ, মেহের আলী সদর উপজেলার ১১ নং মোস্তফাপুর ইউনিয়নের জগন্নাথপুর সহ বিভিন্ন এলাকায় জমিদখল, চাঁদাবাজি ও  মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী ও প্রকাশ্যে হুমকির কারনে এত দিন ভয়ে কেউ প্রতিবাদ করার সাহস পাননি। তার একমাত্র পেশা হল জায়গা জমির দলীল জাল করে তার নিজ নামে চালিয়ে যাওয়া, এলাকার বিভিন্ন সম্মানী ব্যক্তিদের নামে  ভুয়া মিথ্যা হয়রানী মূলক মামলা দায়ের করা।  বিভিন্ন ব্যাক্তিদের বিরুদ্ধে মামলা দেয়ার ক্ষেত্রে বেছে নেয় নারীদের। যাদের মোটা অংকের টাকার বিনিমিয়ে জাল কাবিন নামা, ভুয়া জাতীয় পরিচয়পত্র ও পরিচয় গোপন রেখে আদালতে মিথ্যা মামলা করে থাকে। বিষয়টি দীর্ঘদিন গোপন থাকলেও এখন ধীরে ধীরে প্রকাশ হতে শুরু করে। যেসব নারীদের দিয়ে মামলা করাতো মেহের আলী,এসব নারীরা এখন অকপটে টাকার লোভে মিথ্যা মামলা করেছে বলে এলাকার বিভিন্ন মহলের কাছে স্বীকার করে নিয়েছে। মেহের আলীর রাজনৈতিক কোন পরিচয় না থাকলেও যখন যে সরকার ক্ষমতায় আসুক না কেন সব অবস্থায়ই সে দাপুটের সাথে চলে তার সব অপকর্ম ।

Share Button

     এ জাতীয় আরো খবর